সুনামগঞ্জ , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬ , ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ

১১ নভেম্বর থেকে বিদ্যুৎ বন্ধের হুমকি আদানির!

  • আপলোড সময় : ০৬-১১-২০২৫ ০৮:১৮:৩০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৬-১১-২০২৫ ০৮:৩০:১০ পূর্বাহ্ন
১১ নভেম্বর থেকে বিদ্যুৎ বন্ধের হুমকি আদানির!
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
​​​​​​ভারতের আদানি পাওয়ার বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কাছে বকেয়া বিল পরিশোধের দাবি জানিয়ে সতর্ক করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না হলে ১১ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ স¤পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আদানির পক্ষ থেকে চিঠি পেয়েছি। তারা জানিয়েছে, যদি ১০ নভেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করা হয়, তাহলে ১১ নভেম্বর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেবে। আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো। অক্টোবরের শেষ দিকে আদানি পাওয়ারের ভাইস চেয়ারম্যান ও হেড অব এনার্জি রেগুলেটরি অ্যান্ড কমার্শিয়াল অবিনাশ অনুরাগ বিপিডিবি চেয়ারম্যানের কাছে একটি চিঠি পাঠান। তাতে দাবি করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে পাওনা আদায়ের জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হলেও বিপিডিবি এখনো ৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ৪৯৬ কোটি ডলার) পরিশোধ করেনি। এর মধ্যে ২৬২ মিলিয়ন ডলারকে বিপিডিবি নিজেই ‘বিরোধহীন পাওনা’ হিসেবে স্বীকার করেছে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর স্বাক্ষরিত পাওয়ার পারচেজ এগ্রিমেন্টের (পিপিএ) ১৩.২ ধারা অনুযায়ী বকেয়া পরিশোধে ব্যর্থ হলে সরবরাহ স্থগিতের অধিকার আদানির রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, সরবরাহ বন্ধ থাকলেও চুক্তি অনুযায়ী কেন্দ্রের নির্ভরযোগ্য উৎপাদন সক্ষমতার ভিত্তিতে তারা সক্ষমতা চার্জ (ক্যাপাসিটি পেমেন্ট) পাওয়ার অধিকার রাখে। বিপিডিবির একাধিক সূত্র জানায়, আদানির দাবিকৃত টাকার পরিমাণ নিয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে। কয়লার দাম ও সরবরাহ ব্যয়ের বিষয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি না হলে পুরো পাওনা পরিশোধ করা সম্ভব নয় বলে জানানো হয়েছে। এমন হুঁশিয়ারি এর আগেও দিয়েছে আদানি পাওয়ার। গত বছরও ৮০০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া দাবি করে তারা বাংলাদেশের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিয়েছিল। তখন বিপিডিবি অভিযোগ করে, আদানি নিজস্ব হিসাব পদ্ধতি ব্যবহার করে বকেয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দেখিয়েছে। পিডিবির ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের ঝাড়খ- রাজ্যের গোড্ডা পাওয়ার প্ল্যান্ট (ক্ষমতা ১,৬০০ মেগাওয়াট) থেকে বাংলাদেশে প্রতি মাসে গড়ে ৯৩২.৩১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এই কেন্দ্রটি মূলত বাংলাদেশে রপ্তানির উদ্দেশে নির্মিত হয়। শেখ হাসিনা সরকারের সময় ২০১৭ সালে আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ভারত সরকারের তৎকালীন নীতিমালা অনুযায়ী, আদানি কেবল প্রতিবেশী দেশগুলোতেই বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারত। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারত সরকার আইনে পরিবর্তন আনে, যার ফলে আদানি স্থানীয় বাজারেও বিদ্যুৎ বিক্রির অনুমতি পায়। বর্তমানে বকেয়া পরিশোধের বিষয়টি নিয়ে বিপিডিবি ও আদানি পাওয়ারের মধ্যে আলোচনার প্রস্তুতি চলছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমাধান না হলে দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স